মসজিদ এর গেট নির্মাণ চলমান
দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মসজিদে কোনও গেট না থাকায় মসজিদের এসি, মাইক, আইপিএস সহ অন্যান্য মালামাল চুরির ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তাই একটি গেটের প্রয়োজন।
মসজিদ ও মাদ্রাসার পরিকাঠামো উন্নয়নের অগ্রগতি।
দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মসজিদে কোনও গেট না থাকায় মসজিদের এসি, মাইক, আইপিএস সহ অন্যান্য মালামাল চুরির ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তাই একটি গেটের প্রয়োজন।
ড্রেনে পানি জমে থাকায় এবং ঢাল কম হওয়ায় পানি ছিটে মুসল্লিদের গায়ে লাগে। ড্রেনটি পুনঃনির্মাণ করে সঠিক ঢাল ও পরিকল্পিত নিষ্কাশন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এই প্রকল্পে অবদান রাখুনমাদ্রাসা ভবনের ভিতর ও বাহিরের রং ফিকে হয়ে গেছে এবং দেয়ালে দাগ পড়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি উজ্জ্বল ও পরিচ্ছন্ন শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ভবন নতুন করে রং করা প্রয়োজন।
এই প্রকল্পে অবদান রাখুনমাদ্রাসা ভবনের সিঁড়ি, বারান্দা ও ছাদে কোনো রেলিং নেই, ফলে ছোট ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সকল প্রান্তে স্থায়ী লোহার রেলিং স্থাপন করলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
এই প্রকল্পে অবদান রাখুনঅজু শেষে মসজিদে যাওয়ার পথে মুসল্লিদের বৃষ্টি ও কড়া রোদ সহ্য করতে হয়। একটি স্থায়ী ছাউনি নির্মাণ করলে সকল ঋতুতে নিরাপদে ও আরামে নামাজে অংশ নেওয়া সম্ভব হবে।
এই প্রকল্পে অবদান রাখুনবৃষ্টির সময় জানাজা চত্বরে পানি জমে যাওয়ায় জানাজার নামাজ আদায় করতে সমস্যা হয়। মুসল্লির সংখ্যা বেশি হলে এই চত্বরেই অতিরিক্ত নামাজীদের দাঁড়াতে হয়, ফলে রোদ-বৃষ্টিতে কষ্ট হয়। চত্বরটি পাকা করে উপরে ছাউনি নির্মাণ করলে এই দুই সমস্যা একসাথে সমাধান হবে।
এই প্রকল্পে অবদান রাখুনবৃষ্টির পানি গেটের সম্মুখের সিঁড়িতে পড়ে সিঁড়িকে পিচ্ছিল করে তোলে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। গেটের উপরে একটি ছাউনি নির্মাণ করলে প্রবেশপথ শুষ্ক ও নিরাপদ থাকবে।
এই প্রকল্পে অবদান রাখুনছাত্র-ছাত্রীদের আনতে-নিতে আসা অভিভাবকেরা প্রতিদিন রোদ-বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন। একটি সাধারণ ছাউনি ও বসার ব্যবস্থা করলে তাঁদের দৈনন্দিন কষ্ট অনেকটা লাঘব হবে।
এই প্রকল্পে অবদান রাখুনজুমার নামাজ ও বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুসল্লিদের গাড়ি ও মোটরসাইকেল রাখার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান নেই, ফলে রাস্তায় যানজট ও পথচারীদের ভোগান্তি হয়। একটি সুসংগঠিত পার্কিং স্থান নির্মাণ করলে এই সমস্যা সমাধান হবে।
এই প্রকল্পে অবদান রাখুনমরহুমের গোসলের জন্য মসজিদ প্রাঙ্গণে কোনো নির্ধারিত ও সম্মানজনক স্থান নেই। একটি স্থায়ী মুদ্দার গোছলখানা নির্মাণ করলে স্থানীয় পরিবারগুলো ইসলামী রীতি অনুসারে প্রিয়জনের শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি সম্মানের সঙ্গে সম্পন্ন করতে পারবেন।
এই প্রকল্পে অবদান রাখুনদ্বিতল মাদ্রাসা ভবনের নির্মাণ সম্পন্ন।